সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

শীতের দাপটে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা

  • আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন
শীতের দাপটে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা
স্টাফ রিপোর্টার ::
পৌষের মাঝামাঝিতে সুনামগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত। টানা তিনদিন ধরে হিমেল হাওয়া আর কুয়াশার দাপটে জনজীবনে কিছুটা স্থবিরতা আসলেও, প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে শহরের ফুটপাতের কাপড়ের দোকানগুলোতে। হাড়কাঁপানো শীত থেকে বাঁচতে সাশ্রয়ী মূল্যে গরম কাপড় কিনতে এসব দোকানে ভিড় করছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট, ডিএস রোড, কোর্ট পয়েন্ট সংলগ্ন ফুটপাতগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ভ্যানগাড়ি ও অস্থায়ী চৌকিতে সাজানো সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, কানটুপি ও কম্বল কেনায় ব্যস্ত সবাই। বিশেষ করে শিশুদের কাপড়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কেনাকাটা করতে আসা সাদিকুর রহমান জানান, মার্কেটগুলোতে কাপড়ের দাম অনেক বেশি, কিন্তু ফুটপাতে যাচাই-বাছাই করে সাশ্রয়ী দামে ভালো মানের সোয়েটার ও জ্যাকেট পাওয়া যায়। তাই এখান থেকেই কেনাকাটা করছি। দিনমজুর রফিক মিয়া বলেন, আমরার কি আর এতো টাকা আছে, যে মার্কেট থেকে কিনমু! ভ্যানগাড়ি থেকে ১০০-২০০ টাকার মধ্যেই কিনতে হইবো। বিক্রেতারা জানান, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রিও বহুগুণ বেড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
বড়দের জ্যাকেট প্রকারভেদে ১০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং শিশুদের সেট ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তারা। বিক্রেতা লতিফ মিয়া বলেন, তিন-চার দিন ধরে কিছু বিক্রি হচ্ছে। এখন মোটামুটি ৩-৪ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি করা যাচ্ছে। এমন শীত থাকলে আরও বেশি বেচা যাবে।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় ও গ্রামেগঞ্জের মানুষের মাঝে আমরা শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। শীতার্তদের পাশে জেলা প্রশাসন সবসময় থাকবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স